রবির ‘ব্যাংক গ্যারান্টি’ থেকে ভ্যাট আদায়
মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা থেকে একীভূতকরণ ফি’র ওপর মূল্যসংযোজন কর হিসেবে ৭০ কোটি ৬৫ কোটি টাকা আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
অপারেটরটির ‘পারফর্মেন্স ব্যাংক গ্যারান্টি’কে (পিবিজি) টাকায় রুপান্তর করে এ অর্থ সংগ্রহ করা হবে। উদ্যোগের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক এক বৈঠকে টেলিকম নিয়ন্ত্রণ সংস্থা রবিকে একটি চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০১৬ সালের নভেম্বরে এয়ারটেলকে একীভূতকরণের সময় বিটিআরসির কাছে পেশ করা ব্যাংক গ্যারান্টিকে (বিজি) কেন টাকায় রুপান্তরিত করে এই অর্থ আদায় করা হবে না তা জানতে চাওয়া হবে ওই চিঠিতে।
ওই বছরের জানুয়ারিতে দুই মোবাইল অপারেটরের মূল কোম্পানির মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর রবি-এয়ারটেলকে একীভূত করতে বছরখানেক সময় নেয়া হয়েছে।
মোবাইল ফোন অপারেটরটি থেকে বিটিআরসি পাঁচশ কোটি টাকা ফি ও খরচ বাবদ আদায় করেছে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে বিতর্কিত মূল্য সংযোজন করের বিপরীতে অপারেটরটির পারফরমেন্স ব্যাংক গ্যারান্টি(পিবিজি) দাখিল করার পর সেটিকে একীভূতকরণের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে।
গত বুধবার কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, শিগগির রবিকে এই নোটিশ দেয়া হবে। আর জবাব দেয়ার জন্য ১০ দিন সময় দেয়া হবে। ওই কর্মকর্তা বলেন, চিঠির জবাব যদি অসন্তোষজনক হয়, তবে অপারেটরটির পিবিজিকে টাকায় রুপান্তরিত করা হবে।
রবি আজিয়াটার কর্পোরেট ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক প্রধান শাহেদ আলম বলেন, রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণের মূলসংযোজন সম্পর্কিত প্রশ্নের চিঠি আমরা এখনও পাইনি।
তিনি বলেন, যদি আমরা প্রয়োজনীয় ভ্যাট রশিদ হাতে পাই, তবে সেটা দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। তিনি আরও বলেন, এটা বৈধ দাবি এবং এ প্রশ্ন আমাদের দিকে আসা উচিত না। রবির অর্জিত মুসক চালানের শর্তাধীন হচ্ছে প্রশ্নের ‘ব্যাংক গ্যারান্টি’ (বিজি)।
তার ভাষায়, আর এজন্যই ব্যাংক গ্যারান্টিকে টাকায় রুপান্তরিত করার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। একীভূত হওয়ার পর থেকে ভ্যাট দিতে ওই অপারেটরটিকে বেশ কয়েকবার বলা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে অপারেটরটি এই অর্থ শোধ থেকে বিরত রয়েছে।
চলতি বছরের ৫ মার্চ কমিশন তার চূড়ান্ত চিঠিতে রবিকে ভ্যাট শোধ করতে বলেছে। এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও বারবার মোবাইল অপারেটরটির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে সরকারের তহবিলে জমা দিতে বলেছে।
কিন্তু রবি আজিয়াটা এই ভ্যাট শোধ করতে অস্বীকার জানিয়েছে। তাদের কথা হচ্ছে, এই অর্থ পরিশোধ বিটিআরসির ভ্যাট চালান ইস্যুর বিষয়।
কমিশন কোনো ভ্যাট-নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান নয়। কাজেই রবিকে ভ্যাট চালান ইস্যু করতে পারবে না বিটিআরসি। অন্যদিকে ভ্যাট ইস্যুতে একটি আপিল সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে কমিশনের ইস্যু করা নোটিশের জবাবে মোবাইল অপারেটরটি বলেছে, আপিল বিভাগে স্থগিত আপিলের চূড়ান্ত ফলের জন্য বিষয়টি স্থগিতাবস্থায় রাখতে অস্বস্তি বোধ করছে রবি।
একীভূত হওয়ার পর মালয়েশিয়াভিত্তিক আজিয়াটা মোবাইল অপারেটর রবির ৬৮.৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। ভারতভিত্তিক ভারতি কোম্পানি এটির ২৫ শতাংশের মালিক। আর বাকি ৬.৩ শতাংশ জাপানের এনটিটি ডিওসিওএমওর নিয়ন্ত্রণে।
অপারেটরটির ‘পারফর্মেন্স ব্যাংক গ্যারান্টি’কে (পিবিজি) টাকায় রুপান্তর করে এ অর্থ সংগ্রহ করা হবে। উদ্যোগের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক এক বৈঠকে টেলিকম নিয়ন্ত্রণ সংস্থা রবিকে একটি চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০১৬ সালের নভেম্বরে এয়ারটেলকে একীভূতকরণের সময় বিটিআরসির কাছে পেশ করা ব্যাংক গ্যারান্টিকে (বিজি) কেন টাকায় রুপান্তরিত করে এই অর্থ আদায় করা হবে না তা জানতে চাওয়া হবে ওই চিঠিতে।
ওই বছরের জানুয়ারিতে দুই মোবাইল অপারেটরের মূল কোম্পানির মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর রবি-এয়ারটেলকে একীভূত করতে বছরখানেক সময় নেয়া হয়েছে।
মোবাইল ফোন অপারেটরটি থেকে বিটিআরসি পাঁচশ কোটি টাকা ফি ও খরচ বাবদ আদায় করেছে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে বিতর্কিত মূল্য সংযোজন করের বিপরীতে অপারেটরটির পারফরমেন্স ব্যাংক গ্যারান্টি(পিবিজি) দাখিল করার পর সেটিকে একীভূতকরণের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে।
গত বুধবার কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, শিগগির রবিকে এই নোটিশ দেয়া হবে। আর জবাব দেয়ার জন্য ১০ দিন সময় দেয়া হবে। ওই কর্মকর্তা বলেন, চিঠির জবাব যদি অসন্তোষজনক হয়, তবে অপারেটরটির পিবিজিকে টাকায় রুপান্তরিত করা হবে।
রবি আজিয়াটার কর্পোরেট ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক প্রধান শাহেদ আলম বলেন, রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণের মূলসংযোজন সম্পর্কিত প্রশ্নের চিঠি আমরা এখনও পাইনি।
তিনি বলেন, যদি আমরা প্রয়োজনীয় ভ্যাট রশিদ হাতে পাই, তবে সেটা দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। তিনি আরও বলেন, এটা বৈধ দাবি এবং এ প্রশ্ন আমাদের দিকে আসা উচিত না। রবির অর্জিত মুসক চালানের শর্তাধীন হচ্ছে প্রশ্নের ‘ব্যাংক গ্যারান্টি’ (বিজি)।
তার ভাষায়, আর এজন্যই ব্যাংক গ্যারান্টিকে টাকায় রুপান্তরিত করার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। একীভূত হওয়ার পর থেকে ভ্যাট দিতে ওই অপারেটরটিকে বেশ কয়েকবার বলা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে অপারেটরটি এই অর্থ শোধ থেকে বিরত রয়েছে।
চলতি বছরের ৫ মার্চ কমিশন তার চূড়ান্ত চিঠিতে রবিকে ভ্যাট শোধ করতে বলেছে। এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও বারবার মোবাইল অপারেটরটির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে সরকারের তহবিলে জমা দিতে বলেছে।
কিন্তু রবি আজিয়াটা এই ভ্যাট শোধ করতে অস্বীকার জানিয়েছে। তাদের কথা হচ্ছে, এই অর্থ পরিশোধ বিটিআরসির ভ্যাট চালান ইস্যুর বিষয়।
কমিশন কোনো ভ্যাট-নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান নয়। কাজেই রবিকে ভ্যাট চালান ইস্যু করতে পারবে না বিটিআরসি। অন্যদিকে ভ্যাট ইস্যুতে একটি আপিল সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে কমিশনের ইস্যু করা নোটিশের জবাবে মোবাইল অপারেটরটি বলেছে, আপিল বিভাগে স্থগিত আপিলের চূড়ান্ত ফলের জন্য বিষয়টি স্থগিতাবস্থায় রাখতে অস্বস্তি বোধ করছে রবি।
একীভূত হওয়ার পর মালয়েশিয়াভিত্তিক আজিয়াটা মোবাইল অপারেটর রবির ৬৮.৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। ভারতভিত্তিক ভারতি কোম্পানি এটির ২৫ শতাংশের মালিক। আর বাকি ৬.৩ শতাংশ জাপানের এনটিটি ডিওসিওএমওর নিয়ন্ত্রণে।


No comments